ক্যানাবিস ও স্বাস্থ্য: মস্তিষ্ক থেকে সমাজ


ক্যানাবিস ও স্বাস্থ্য: মস্তিষ্ক থেকে সমাজ - একটি বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ

Dr.Chiranjit Ghosh & NBJM মেডিকেল এডিটোরিয়াল টিম  |  মার্চ ২০২৬ |  পর্যালোচিত: WHO, CDC, PubMed

১. ভূমিকা

ক্যানাবিস — যা ভারতে গাঁজা, ভাং বা চরস নামে পরিচিত — পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত মনোসক্রিয় পদার্থ (psychoactive substance)। হাজার বছর ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ক্যানাবিসের ব্যবহার চলে আসছে। হোলির ভাং থেকে শিবরাত্রির গাঁজা -এই উদ্ভিদটি ভারতীয় সমাজের সাথে গভীরভাবে জড়িত। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান কী বলছে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০ কোটি মানুষ ক্যানাবিস ব্যবহার করেন, যা এটিকে পৃথিবীর সর্বাধিক ব্যবহৃত অবৈধ মাদক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। ভারতে এই সংখ্যা কোটির উপরে - এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।

 

২০ কোটি+

বিশ্বব্যাপী ক্যানাবিস ব্যবহারকারী (WHO, ২০২৩)

৩.১%

ভারতের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে (AIIMS জাতীয় সমীক্ষা)

৯%

আসক্তিতে পরিণত হওয়ার হার (NIDA)

১৭%

কিশোর বয়সে শুরু হলে আসক্তির ঝুঁকি

 


এই আর্টিকেলে আমরা ক্যানাবিসের বৈজ্ঞানিক প্রভাব, স্বাস্থ্যঝুঁকি, চিকিৎসা ও ভারতীয় জনস্বাস্থ্য প্রেক্ষাপট নিয়ে একটি সম্পূর্ণ, প্রমাণভিত্তিক আলোচনা উপস্থাপন করব।

— ◆ —

২. রোগের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (Pathophysiology)

ক্যানাবিস গাছে ১০০-এরও বেশি রাসায়নিক যৌগ থাকে, যাদের ক্যানাবিনয়েড (cannabinoids) বলা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি হল:

     THC (Tetrahydrocannabinol): এটি ক্যানাবিসের প্রধান মনোসক্রিয় উপাদান যা 'নেশার' অনুভূতি তৈরি করে।

     CBD (Cannabidiol): এটি অ-মনোসক্রিয় এবং কিছু চিকিৎসাগত সম্ভাবনা রয়েছে বলে গবেষণা চলছে।

 

মস্তিষ্কে THC কীভাবে কাজ করে?

আমাদের মস্তিষ্কে স্বাভাবিকভাবেই এন্ডোক্যানাবিনয়েড সিস্টেম (Endocannabinoid System বা ECS) বিদ্যমান। এই সিস্টেম মেজাজ, স্মৃতি, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষুধায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। THC মস্তিষ্কের CB1 রিসেপ্টরে আবদ্ধ হয় এবং এই স্বাভাবিক সিস্টেমকে অতিমাত্রায় সক্রিয় করে। এর ফলে:

     ডোপামিন নিঃসরণ বৃদ্ধি → আনন্দের অনুভূতি (euphoria)

     হিপ্পোক্যাম্পাস প্রভাবিত → স্বল্পমেয়াদী স্মৃতিশক্তি দুর্বল

     অ্যামিগডালা প্রভাবিত → উদ্বেগ ও ভয়ের প্রতিক্রিয়া পরিবর্তন

     প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স প্রভাবিত → সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা হ্রাস

     সেরিবেলাম প্রভাবিত → শারীরিক ভারসাম্য ও সমন্বয় ব্যাহত

 



তীব্র প্রভাব (ব্যবহারের কয়েক মিনিট থেকে ঘণ্টা): হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, চোখ লাল হওয়া, মুখ শুকানো, সময়ের অনুভূতি পরিবর্তন, অনুধাবন শক্তির পরিবর্তন এবং তীব্র ক্ষুধাবোধ।

 

দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে মস্তিষ্কের গঠনগত পরিবর্তন হতে পারে, বিশেষত কিশোর বয়সে ব্যবহার শুরু হলে। PubMed-প্রকাশিত গবেষণায় (Gruber et al., 2021) দেখা গেছে যে, ১৬ বছরের আগে ক্যানাবিস ব্যবহার শুরু করলে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের পরিপক্কতা বাধাগ্রস্ত হয়।

— ◆ —

৩. লক্ষণ ও উপসর্গ

ক্যানাবিস ব্যবহারের লক্ষণগুলিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:



 

শারীরিক লক্ষণ

     চোখ লাল ও ফোলা (conjunctival injection) — রক্তনালী প্রসারণের ফলে

     হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি (tachycardia) — ব্যবহারের ২০–৩০ মিনিটের মধ্যে

     মুখ ও গলা শুষ্ক অনুভব (xerostomia)

     মাথা ঘোরা ও শারীরিক ভারসাম্যহীনতা

     অতিরিক্ত ক্ষুধাবোধ ('munchies')

     দীর্ঘমেয়াদে ধূমপানকারীদের দীর্ঘস্থায়ী কাশি ও শ্বাসকষ্ট

     পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন হ্রাস ও প্রজনন সমস্যা

 

মানসিক লক্ষণ

     উচ্ছ্বাস বা মিথ্যা আনন্দ (euphoria) — তীব্র পর্যায়ে

     উদ্বেগ, আতঙ্ক (anxiety, panic attacks)

     প্যারানয়া (paranoia) — মনে হওয়া সবাই খারাপ ভাবছে

     হ্যালুসিনেশন — বিশেষত উচ্চমাত্রায় THC গ্রহণে

     বিষণ্নতা (depression) ও অনুপ্রেরণাহীনতা (amotivational syndrome)

     মনোবিকার (psychosis) — দীর্ঘমেয়াদী ভারী ব্যবহারে

 

আসক্তির লক্ষণ (Cannabis Use Disorder)

⚠️ সতর্কতা: নিচের ৫ বা তার বেশি লক্ষণ থাকলে Cannabis Use Disorder (DSM-5 অনুযায়ী) নির্ণয় করা যায়: নিয়ন্ত্রণ হারানো, ছাড়ার ব্যর্থ চেষ্টা, সহনশীলতা বৃদ্ধি (বেশি লাগে একই অনুভূতির জন্য), প্রত্যাহার উপসর্গ (withdrawal), সামাজিক ও পেশাদারী ক্ষতি সত্ত্বেও অব্যাহত ব্যবহার।

— ◆ —

৪. রোগ নির্ণয় (Diagnosis)

 

ক্লিনিকাল মূল্যায়ন

একজন চিকিৎসক রোগীর ইতিহাস শুনে, শারীরিক পরীক্ষা করে এবং প্রমাণিত স্ক্রিনিং টুল ব্যবহার করে ক্যানাবিস ব্যবহার এবং আসক্তি নির্ণয় করেন:

     CAGE-AID: সহজ ৪-প্রশ্নের স্ক্রিনিং টুল

     AUDIT-C / DAST-10: মাদক ব্যবহারের মাত্রা নির্ণয়ের জন্য

     DSM-5 মানদণ্ড: Cannabis Use Disorder নির্ণয়ের আন্তর্জাতিক মান

 

ল্যাবরেটরি পরীক্ষা

     মূত্র পরীক্ষা (Urine Drug Screen): সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি। THC মেটাবলাইট শেষ ব্যবহারের ৩–৩০ দিন পর্যন্ত সনাক্ত হয়।

     রক্ত পরীক্ষা (Blood Test): তীব্র নেশার অবস্থা নির্ণয়ে, সাধারণত ৩–৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর।

     চুলের পরীক্ষা (Hair Follicle Test): ৯০ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের ইতিহাস প্রকাশ করে।

     লালার পরীক্ষা (Oral Fluid Test): সাম্প্রতিক ব্যবহার (১–৩ দিন) নির্ণয়ে।

 

📌 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ভারতে NDPS Act (1985) অনুযায়ী ক্যানাবিসের রজন (resin/charas) ও ফুল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে বীজ ও পাতা রাজ্যভেদে ভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রিত। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখা চিকিৎসকের দায়িত্ব।

— ◆ —

৫. চিকিৎসা (Treatment)

ক্যানাবিস আসক্তির জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট FDA-অনুমোদিত ওষুধ নেই। তবে মনোসামাজিক চিকিৎসা (psychosocial treatment) অত্যন্ত কার্যকর।



 

মনোসামাজিক চিকিৎসা

     CBT (Cognitive Behavioral Therapy): নেতিবাচক চিন্তা ও আচরণ পরিবর্তনে সবচেয়ে প্রমাণিত পদ্ধতি। মাদক গ্রহণের কারণ ও ট্রিগার চিহ্নিত করে।

     MET (Motivational Enhancement Therapy): রোগীর পরিবর্তনের ইচ্ছাশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। ৪টি সেশনে কার্যকর।

     CM (Contingency Management): ইতিবাচক আচরণের পুরস্কার ব্যবস্থা।

     গ্রুপ থেরাপি ও সাপোর্ট গ্রুপ (Marijuana Anonymous): সামাজিক সমর্থনের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার।

 

ওষুধ চিকিৎসা

প্রত্যাহার উপসর্গ (withdrawal symptoms) — যেমন খিটখিটেমি, ঘুমের সমস্যা, উদ্বেগ — নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসক বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন:

     ঘুমের সমস্যায়: স্বল্পমেয়াদী hypnotic/sedative (চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে)

     উদ্বেগে: buspirone বা SSRI-জাতীয় ওষুধ

     বিষণ্নতায়: antidepressant therapy

     মনোবিকারে: antipsychotic medication

 

ℹ️ ভারতে সাহায্য কোথায় পাবেন? NIMHANS (বেঙ্গালুরু), AIIMS দিল্লি, NDDTC (National Drug Dependence Treatment Centre), এবং রাজ্যভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে বিশেষজ্ঞ সাহায্য পাওয়া যায়।

— ◆ —

৬. প্রতিরোধ (Prevention)



 

WHO এবং CDC উভয়ই জোর দিয়ে বলে যে ক্যানাবিস ব্যবহার প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর হস্তক্ষেপ হল বহুস্তরীয় পদ্ধতি:

ব্যক্তি পর্যায়

     ক্যানাবিসের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুন

     কিশোর বয়সে যেকোনো মাদক থেকে দূরে থাকুন

     চাপ মোকাবেলার স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি (ব্যায়াম, মেডিটেশন, শখ) রপ্ত করুন

     'না' বলার দক্ষতা (refusal skills) অর্জন করুন

 

পরিবার পর্যায়

     সন্তানের সাথে খোলামেলা যোগাযোগ রাখুন

     পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী করুন

     সন্তানের বন্ধু ও কার্যকলাপে আগ্রহ দেখান

     মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সাহায্য নিন

 

বিদ্যালয় ও সমাজ পর্যায়

     বিদ্যালয়ে মাদকবিরোধী শিক্ষা কার্যক্রম

     Life Skills Education (LSE) বাস্তবায়ন

     সামাজিক সমর্থন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা

     সরকারি নীতি ও আইনের সঠিক প্রয়োগ

— ◆ —

৭. ভারতীয় জনস্বাস্থ্য প্রেক্ষাপট



 

ভারতে ক্যানাবিসের বাস্তব চিত্র

২০১৯ সালে AIIMS দিল্লি ও সামাজিক ন্যায় মন্ত্রণালয় পরিচালিত 'Magnitude of Substance Use in India' সমীক্ষায় উঠে এসেছিল যে ভারতে প্রায় ৩.১ কোটি মানুষ ক্যানাবিস ব্যবহার করেন। এর মধ্যে প্রায় ৭২ লক্ষ মানুষ ক্ষতিকর ব্যবহার বা আসক্তির পর্যায়ে রয়েছেন।

 

ভারতীয় প্রেক্ষাপটের বিশেষ দিক

     সাংস্কৃতিক স্বীকৃতির দ্বন্দ্ব: হোলির ভাং, শিবের সাথে গাঁজার সাংস্কৃতিক সংযোগ অনেক সময় ক্ষতির বার্তাকে দুর্বল করে দেয়।

     গ্রামীণ ব্যবহার: রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীতে ক্যানাবিস ব্যবহারের হার অপেক্ষাকৃত বেশি।

     তরুণ শহুরে ব্যবহার: মহানগরগুলিতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিনোদনমূলক ব্যবহার (recreational use) বাড়ছে।

     স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা: মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ভারতে প্রতি ১ লক্ষ জনে মাত্র ০.৩ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

     কলঙ্ক ও লুকানোর প্রবণতা: সামাজিক কলঙ্কের ভয়ে অনেকেই চিকিৎসা নিতে আসেন না।

 

পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিশেষ প্রেক্ষাপট

পশ্চিমবঙ্গ সহ পূর্ব ভারতে গাঁজার ব্যবহার ঐতিহাসিকভাবে বিদ্যমান। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বীরভূম সহ বিভিন্ন জেলায় মাদক পাচারের রুট সক্রিয়। রাজ্যের সরকারি ডি-অ্যাডিকশন কেন্দ্রগুলিতে ক্যানাবিস আসক্তি একটি প্রধান অভিযোগ।

 

৩.১ কোটি

ভারতে ক্যানাবিস ব্যবহারকারী (AIIMS, ২০১৯)

৭২ লক্ষ

ক্ষতিকর ব্যবহার বা আসক্তির পর্যায়ে

০.৩

প্রতি ১ লক্ষে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ভারতে ঘাটতি

— ◆ —

৮. উপসংহার

ক্যানাবিস একটি জটিল পদার্থ — এর সাংস্কৃতিক ইতিহাস, চিকিৎসার সম্ভাব্যতা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি — সবকিছু একসাথে বিবেচনা করতে হবে। বিজ্ঞান যা স্পষ্টভাবে বলছে তা হল: ক্যানাবিসের নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার মস্তিষ্কের ক্ষতি করে, আসক্তি তৈরি করে এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায় — বিশেষত কিশোর বয়সে।

ভারতীয় প্রেক্ষাপটে, যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যে ক্যানাবিস ব্যবহার করছেন এবং যেখানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিকাঠামো এখনও সীমিত, সেখানে শিক্ষা, সচেতনতা এবং কলঙ্কমুক্ত চিকিৎসার সুযোগ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

মনে রাখবেন — সাহায্য চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়, এটি সাহসের প্রকাশ। আপনার বা আপনার প্রিয়জনের সমস্যা হলে আজই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

— ◆ —

তথ্যসূত্র (References)

1. World Health Organization (WHO). (2023). Cannabis and cannabis-related disorders. Geneva: WHO. https://www.who.int/news-room/fact-sheets/detail/cannabis

2. Centers for Disease Control and Prevention (CDC). (2024). Marijuana and Public Health. Atlanta: CDC. https://www.cdc.gov/marijuana

3. Ambekar A, Agrawal A, Rao R, et al. (2019). Magnitude of Substance Use in India. New Delhi: Ministry of Social Justice & NIMHANS.

4. Gruber SA, et al. (2021). Age of onset of marijuana use and executive function in young adults. Psychopharmacology, 238(5): 1231–1244. PubMed PMID: 33547479.

5. Hasin DS, et al. (2015). DSM-5 Criteria for Substance Use Disorders. American Journal of Psychiatry, 170(8): 834–851.

6. National Institute on Drug Abuse (NIDA). (2023). Cannabis (Marijuana) Research Report. Bethesda: NIH.

7. Bhatt M, et al. (2020). Cannabis Use Disorder in India. Indian Journal of Psychiatry, 62(Suppl 2): S261–S270.

8. Volkow ND, et al. (2016). Effects of Cannabis Use on Human Behavior. JAMA Psychiatry, 73(3): 292–297.

9. WHO Expert Committee on Drug Dependence (ECDD). (2019). Critical Review: Cannabis and Cannabis-related substances. Geneva: WHO.

— ◆ —

⚕️ মেডিকেল ডিসক্লেমার

এই লেখাটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি কোনোভাবেই চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যার জন্য অবশ্যই একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

© NBJM – New Bengal Journal of Medicine  |  www.nbjm.in

Next
This is the most recent post.
Older Post

Post a Comment

[blogger]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by Storman. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget